কুলিয়ারচরে একটি মসজিদের ইমাম কর্তৃক ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার একটি মসজিদের ইমাম কর্তৃক ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাহবুব ওরফে মাহবুল্লাহ (২৩)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের পশ্চিম তারাকান্দি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আটককৃত ইমাম নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা থানার খলিশাপুর (বনপাড়া) গ্রামের মৃত শাহেদ আলী আকন্দের ছেলে। মসজিদের ইমাম হাফেজ মাহবুব, ওরফে মাহবুল্লাহ (২৩) স্থানীয় আগরপুর বাসস্ট্যান্ডের একটি মাদ্রাসায় হাফিজি পড়ালেখা শেষ করেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তের অংশ হিসেবে চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রতিবেদন, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।শু
স্থানীয় সুত্র জানায়, আজ দুপুরে শিশুটি মসজিদে হুজুরের জন্য খাবার নিয়ে গেলে শিুশুটির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
স্থানীয়দের অনেকেই বলেন, সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব জায়গায় শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ আইনগত শাস্তির দাবি জানান।
কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজি আরিফ জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ ছাড়াই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও নির্যাতনের কয়েকটি আলোচিত ঘটনার পর জনমনে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, এই ঘটনাও সেই আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে। শিশু সুরক্ষা, সামাজিক সচেতনতা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি আবারও সামনে এসেছে।