Logo
শিরোনাম :
কুলিয়ারচরে জুয়েল হত্যা: নিরপরাধদের অব্যাহতি ও প্রকৃত খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে বড়চারাবাসী চিরকুটে লেখা ছিল- “আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।” ভৈরবে ৩ বারের মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ইন্তেকাল করেছেন কুলিয়ারচরে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী পদক্ষেপে দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক শোক সংবাদ ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকরুল আলম আক্কাছ আর নেই।। তিনি কিছুক্ষণ আগে তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন নিসচা ভৈরব শাখার ৮৩ সদস্যের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান আরজেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে ভৈরবপুরের ৮ বংশের ৭ শ লোকের মিলন মেলা।। গরুর মাংস দিয়ে ভুড়িভোজ কুলিয়ারচরে বিভাটেক চালকের ওপর হামলা ও মারধর; থানায় মামলা, বিবাদীদের হুমকির মুখে বাদীর পরিবার কুলিয়ারচরে রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী: এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ করলো এলজিইডি কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মামুন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তি করবে মিয়ানমার

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ১ জুন, ২০১৮

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার জন্য জাতিসংঘের দু’টি সংস্থার সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে মিয়ানমার। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপির সঙ্গে চুক্তি করবে মিয়ানমার সরকার।

গত বছরের আগস্টে রাখাইনের বেশ কয়েকটি পুলিশ ও সেনা চেকপোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই অঞ্চলে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানের নামে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, নারীদের ধর্ষণ, ভয়াবহ নির্যাতন ও নিপীড়ন চালায় মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা।

সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন থেকে বাঁচতে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম।

গত নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। কিন্তু ওই চুক্তির পরও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তেমন কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি। তাছাড়া নির্যাতনের শিকার পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাও মিয়ারমারে ফিরে যেতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

তাদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করছে যে, তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হলে সেখানকার পরিস্থিতি হয়তো আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি না হলে সেখানে যেতে চান না রোহিঙ্গারা। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর তদারকি না থাকলে এই প্রক্রিয়া আরও জটিল হতে পারে।

মিয়ানমার সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুত মানুষদের নিরাপদ ও সম্মানের সঙ্গে স্বেচ্ছায় ফিরে আসার প্রক্রিয়া যাচাইয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থার সহযোগিতা পেতে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক সই হবে। জাতিসংঘের ওই সংস্থাগুলো রাখাইনে কমিউনিটিভিত্তিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে বলে জানানো হয়েছে।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং সম্মানের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়া এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার মতো অনুকূল পরিবেশ নেই। তবে এই চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপকে সহায়তা করা হবে। কবে নাগাদ জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও আগামী সপ্তাহেই এটা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওপর রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ, নির্বিচারে হত্যা, নির্যাতন এবং রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার সেনাদের এসব কর্মকাণ্ডকে জাতিগত নিধন বলে উল্লেখ করেছে। তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এছাড়া মিয়ানমার সরকার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বলছে যে, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেই তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবে। কিন্তু যারা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে এসেছে তারা বাড়ি-ঘর ছেড়ে আসার সময় কোন কিছুই সাথে করে আনতে পারেননি। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের বাড়ি-ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার কারণে তাদের যা কিছু ছিল সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Theme Created By Khan IT Host