Logo
শিরোনাম :
কুলিয়ারচরে জুয়েল হত্যা: নিরপরাধদের অব্যাহতি ও প্রকৃত খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে বড়চারাবাসী চিরকুটে লেখা ছিল- “আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।” ভৈরবে ৩ বারের মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ইন্তেকাল করেছেন কুলিয়ারচরে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী পদক্ষেপে দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক শোক সংবাদ ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকরুল আলম আক্কাছ আর নেই।। তিনি কিছুক্ষণ আগে তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন নিসচা ভৈরব শাখার ৮৩ সদস্যের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান আরজেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে ভৈরবপুরের ৮ বংশের ৭ শ লোকের মিলন মেলা।। গরুর মাংস দিয়ে ভুড়িভোজ কুলিয়ারচরে বিভাটেক চালকের ওপর হামলা ও মারধর; থানায় মামলা, বিবাদীদের হুমকির মুখে বাদীর পরিবার কুলিয়ারচরে রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী: এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ করলো এলজিইডি কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মামুন

চিরকুটে লেখা ছিল- “আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।”

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশকাল : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
Oplus_131072

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে এস.এ পরিবহনের মাধ্যমে পার্সেল করে সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি ও চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা। এই ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নির্বাহী কর্মকর্তাসহ তার পরিবার। নিরুপায় হয়ে তিনি ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

​পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ‘ফাতান হোমিও চিকিৎসালয়’-এর ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগীর স্ত্রীর মালিকানাধীন। ভৈরবের এস.এ পরিবহন শাখা থেকে পাঠানো ওই পার্সেলের প্রেরক হিসেবে ‘হরিদাস, আশুগঞ্জ’ এবং এ মোবাইল নম্বরটি (০১৭৩৮৮-৩৩৩২৯) উল্লেখ করা হয়। আর প্রাপক হিসেবে মো. ফারুকের নাম ও তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়।
​ওই দিন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় তার ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান বেলা ১২টা ২০ মিনিটে পার্সেলটি রিসিভ করেন। পরে বাসায় গিয়ে বাক্সটি খুলে ভেতরে ১ গজ সাদা কাফনের কাপড়, ১টি গোলাপ জল, ১টি আগরবাতি এবং হুমকিদেয়া একটি চিরকুট দেখতে পান।
​চিরকুটে লেখা ছিল- “আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।”
​এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, আমি দীর্ঘ চার বছরেরও অধিক সময় ধরে ভৈরব পৌরসভায় অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও নিয়মকানুন মেনে দায়িত্ব পালন করে আসছি। পৌরসভার কোনো কাজে অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে আমি কখনো প্রশ্রয় দিইনি। সরকারি বিধি রক্ষায় আমাকে সবসময় কঠোর অবস্থান নিতে হয়েছে। ধারণা করছি, আমার এই কঠোর ও আপসহীন ভূমিকার কারণে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এই জঘন্য কাণ্ড ঘটিয়েছে। একটি মানুষকে সরাসরি কাফনের কাপড় ও মৃত্যুর হুমকি পাঠানোর মতো ঘটনা শুধু আমাকে নয়, আমার পুরো পরিবারকে মানসিকভাবে আতঙ্কিত করেছে।

​​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিমন বোস জানান, ভৈরব পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে পার্সেল পাঠিয়ে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে এবং পার্সেলের প্রেরক ও মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Theme Created By Khan IT Host