Logo
শিরোনাম :
কুলিয়ারচরে জুয়েল হত্যা: নিরপরাধদের অব্যাহতি ও প্রকৃত খুনিদের ফাঁসির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে বড়চারাবাসী চিরকুটে লেখা ছিল- “আপনি আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে দিন। না হলে আপনার পরিণতি ভয়ংকর হবে।” ভৈরবে ৩ বারের মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ ইন্তেকাল করেছেন কুলিয়ারচরে ইউএনও’র ব্যতিক্রমী পদক্ষেপে দম্পতির মুখে আবার ফুটেছে হাসির ঝিলিক শোক সংবাদ ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকরুল আলম আক্কাছ আর নেই।। তিনি কিছুক্ষণ আগে তার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন নিসচা ভৈরব শাখার ৮৩ সদস্যের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান আরজেন্টিনা ও স্পেনের ফাইনাল খেলা উপলক্ষে ভৈরবপুরের ৮ বংশের ৭ শ লোকের মিলন মেলা।। গরুর মাংস দিয়ে ভুড়িভোজ কুলিয়ারচরে বিভাটেক চালকের ওপর হামলা ও মারধর; থানায় মামলা, বিবাদীদের হুমকির মুখে বাদীর পরিবার কুলিয়ারচরে রাস্তার কাজে নিম্নমানের সামগ্রী: এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ করলো এলজিইডি কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মামুন

ভৈরবে নদী থেকে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত লাশের পরিচয় সনাক্ত

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশকাল : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত লাশের পরিচয় সনাক্ত হয়েছে। তার নাম মাসুদ মিয়া (৪৬)। পেশায় সে ছিল একজন সিএনজি চালক। ৩০ জুন মঙ্গলবার রাত ৭টায় পৌর শহরের পলতাকান্দা এলাকায় হাজী আসমত আলীর বাড়ির পাশে
মেঘনা নদীর পাড় থেকে ওই সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব নৌ থানার পুলিশ । নিহত মাসুূদ মিয়া জেলার বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর শ্যামপুর এলাকার মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব নৌ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।

এলাকাবাসী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত কোরবানির ঈদে ঢাকা থেকে বাজিতপুরে পরিবারের সাথে ঈদ করতে এসেছিল মাসুদ মিয়া। সে দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা শহরে সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। ঈদের পর কর্মের জন্য আর তাঁর ঢাকায় যাওয়া হয়নি। মাসুদের পরিবারে এক ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। স্থানীয় কিছু খারাপ লোকের সাথে চলাফেরা করতো। ১৯ জুন বাড়ি থেকে বের হলে আর ফেরেনি। ২৩ জুন নিহতের স্ত্রী হাছনারা বেগম বাজিতপুর থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরী করেন।
এলাকাবাসীরা জানান, পূর্ব শত্রুতা ও খারাপ লোকদের সাথে কোন একটি ঝামেলা থেকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী হাছনারা বেগম বলেন, ১৯ জুন বিকালে বাড়ি থেকে আমার স্বামী বের হলে আর বাড়ি ফিরেনি। ২৩ জুন বাজিতপুর থানায় আমি একটি নিখোঁজ হওয়ার জিডি করি। পরে পুলিশ তাঁর মোবাইলের শেষ লোকেশন আশুগঞ্জ দেখতে পায়। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজখুজি করেছি। ১ জুলাই সকালে আমরা জানতে পারি মেঘনা নদী থেকে তাঁর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এবিষয়ে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি।
ভৈরব নৌ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ৩০ জুন মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মেঘনা নদীর পলতাকান্দা এলাকার হাজী আসমত আলীর বাড়ির পাশ থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করি। উদ্ধারের পর তাৎক্ষণিক তাঁর পরিচয় পাওয়া না গেলেও জেলা পিবিআই টিমের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির পরিবার জেলার বাজিতপুর উপজেলা মাইজচর ইউনিয়নের বাসিন্দা। নিহতরে পরিবারকে খবর দেয়া হলে তারা ১ জুলাই বুধবার সকালে ভৈরবে এসে নিহতের মরদেহ শনাক্ত করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলে, মাসুদ মিয়ার পরিবার যেহেতু প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাজিতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছিল সেই সুবাদে নিহতের পরিবার আইনগত ব্যবস্থা ওই থানায় নিবে। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারকে ভৈরব নৌ থানা পুলিশ সহযোগিতা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Theme Created By Khan IT Host